উম্মুল মু'মিনীন হযরত খাদিজা বিনতে খুয়াইলিদ রদিয়াল্লাহু আনহা এর জীবনী ১১তম পর্ব | Mother of the believers Khadija (RA)


 হযরত খাদিজা বিনতে খুয়াইলিদ রদিয়াল্লাহু আনহা 


সন্তানসম স্নেহ দিয়ে এত বছর ধরে লালন-পালন করা জায়েদকে হারানোর বেদনায় নবির হৃদয় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। কিন্তু সত্য পথের অগ্রপথিক

তিনি মানবতার মুক্তির জন্য খোদার মনোনীত ব্যক্তি, তিনি কি ক্ষণিক আবেগের বশে অন্যায় করতে পারেন? না, তিনি তা করেননি।


যখন ছোট্ট জায়েদ নবিগৃহে প্রথম এসেছিলেন, তখন তিনি বালকমাত্র। এখন তিনি টগবগে তরুণ। নিজের ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত নিজেই নিতে সক্ষম। তাই রাসুলের স্পষ্ট বক্তব্য, জায়েদকে অধিকার দেওয়া হোক। সে যদি আপনাদের সঙ্গে চলে যেতে সম্মত হয়, তাহলে আমার পক্ষ থেকে সে মুক্ত। এর জন্য মুক্তিপণেরও প্রয়োজন নেই। আর যদি সে যেতে অসম্মত হয়, তাহলে আমি তার সম্মতির বিপক্ষে নই। এমন সহজ শর্তে রাজি না হয়ে হারিসার উপায় ছিল না। এ তো অত্যন্ত চমৎকার বিচার, ইনসাফপূর্ণ ফয়সালা। ছেলে যদি তার পিতার কাছে চলে যেতে চায়, তাহলে তার পূর্ণ এখতিয়ার রয়েছে। শুধু তা-ই নয়, তাকে মুক্ত স্বাধীন করে দেওয়া হবে দাসত্ব থেকে। তা-ও কোনো প্রকার বিনিময় ব্যতীত।


হারিসা অপেক্ষা করতে লাগলেন পুত্রের জন্য। জায়েদকে ভেতর হতে ডেকে আনা হলো। এত বছর পরে পিতা-পুত্রের অশ্রুসিক্ত মিলন উপস্থিত অন্যদের হৃদয়ও আর্দ্র করে তুলল। জায়েদ পিতা ও পিতৃব্য হিসেবে হারিসা ও কাবকে শনাক্ত করলে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম তাঁর সামনে মুক্তির দরজা খুলে দিলেন। আত্মীয়-পরিজনের সঙ্গে স্বাধীন জীবনযাপন অথবা তাঁর সান্নিধ্য, যেকোনো একটি বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা দিলেন।


জায়েদের চোখভরা জল। শব্দহীন অশ্রুসিক্ত নতশির জায়েদ। কান্নায় চোখ তুলে তাকাতে পারছেন না। একদিকে অনেক আশায় বুক বেঁধে দুই হাত বাড়িয়ে থাকা পিতা হারিসা। অন্যদিকে প্রশান্তচিত্তে অপেক্ষমাণ মুহাম্মদ।


মহাকালের পৃথিবীতে ক্ষণিক স্থির যেন সময়ের ঘড়ি।জায়েদ কোনো কথা বলতে পারছেন না। এ ছিল জায়েদের জন্য এক কঠিন পরীক্ষা। পিতা-মাতা সন্তানের সুদীর্ঘ সময়ের বিচ্ছেদ বেদনার পর আনন্দের মিলন আর পিতৃ-মাতৃহীন জীবনে সদয় আশ্রয়দাতা এবং নতুন আদর্শের দীক্ষাগুরুর সার্বক্ষণিক সাহচর্যের মধ্যে একটিকে বেছে নেওয়া দুরূহ বৈকি। সবাই তাকিয়ে আছেন জায়েদের দিকে।


কিছুক্ষণ পর মাথা তুললেন ক্রীতদাস জায়েদ। দুই চোখে তখনো অশ্রুর ঢল। কিন্তু ভাষা সংযত, কণ্ঠ স্থির, হে মক্কার শ্রেষ্ঠ মানব। আমি আপনার পরিবর্তে অন্য কাউকে প্রাধান্য দিতে পারি না। আমার মাতা-পিতা এবং আত্মীয়স্বজনের তুলনায় আপনি আমার কাছে অধিক কাম্য। তাই আমি আপনার সান্নিধ্যে থাকার সিদ্ধান্ত নিলাম।' কী বললেন তরুণ জায়েদ! এ কি সেই জায়েদ নয়, যে একদিন মাতৃক্রোড় থেকে অপহৃত হয়েছিল? এ কি সেই জায়েদ নয়, যে পিতার কাঁধে চড়ে হেসেখেলে বড় হয়েছিল? পিতা হারিসা বাকরুদ্ধ, চাচা কাব কিংকর্তব্যবিমূঢ়। আর মুহাম্মাদ পূর্ববৎ প্রশান্ত।


এ কেমন ভালোবাসার বন্ধন কেমন দেহের ভোরে বাঁধা মমতার মায়াজাল-পিতার ভাবনায় আসে না! নাকি এত বছরের দাসত্বের জীবনে জায়েদের মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটেছে। পরিবার-পরিজন, পিতা-মাতার নিশ্চিন্ত আশ্রয় ছেড়ে কে আবার দাসত্বের জীবনকে বরণ করে নেয়, প্রশ্ন করেন পুত্রকে।


ভালোবাসার আলোয় আলোকিত জায়েদ রক্তের সম্পর্কের ওপরে মুনিব মুহাম্মদের সঙ্গে সম্পর্ককে প্রাধান্য দিলেন আর জানিয়ে দিলেন-এ সিদ্ধান্ত তিনি স্থির মস্তিষ্কেই গ্রহণ করেছেন। জায়েদের বক্তব্যকে পিতা-পিতৃব্য বুকে কষ্ট চেপে মেনে নিলেও এবার মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম অশান্ত হয়ে উঠলেন। ক্রীতদাস জায়েদের হাত চেপে ধরে সোজা চলে এলেন কাবা প্রাঙ্গণে।


বেলা দ্বিপ্রহর। আরবের ধু ধু মরুর মাঝে ছোট্ট নগরী মক্কা। অন্ধ বংশগৌরব আর গোত্রকৌলিন্যে মত্ত কুরাইশ নেতারা কাবার পাদদেশে উপস্থিত। সারা দিন তারা এখানে বসেই অলস সময় কাটায়। বিশেষত কুরাইশরা কাবা সে সময় কুরাইশদের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু। আরব উপদ্বীপে প্রশ্নাতীত নেতৃত্বের চাবিকাঠি তাদের হাতেই। কাবার ধারক বাহক হিসেবে তাদের রয়েছে আলাদা আভিজাত্যের গৌরব।


তাদের আলোচনা চলছিল আরবের কিংবদন্তি কবি ইমরাউল কায়েসকে নিয়ে। তার কাব্যপ্রতিভা আর নারীদেহের উপমা কতটা জুতসইভাবে সংবেদন তৈরি করেছে তার কাব্যে, সেটাই ছিল তর্কের বিষয়।

এমন সময় কাবা প্রাঙ্গনে মুহাম্মদের উপস্থিতি দেখা গেল। সঙ্গে তাঁর তরুণ ক্রীতদাস জায়েদ। কুরাইশদের আলোচনা তখন তুঙ্গে। একজন আরেকজনের দিকে ছুড়ে দিচ্ছে পক্তির পর পঙ্ক্তির শেল। গলা চড়িয়ে আবৃত্তি করছিল কেউ কেউ। সৌম্যকান্তি মানুষটি সেদিকে ভ্রক্ষেপও করলেন না। কোনো রকম ভণিতায় না গিয়ে সঙ্গে থাকা ক্রীতদাস তরুণটির দিকে ইঙ্গিত দিয়ে বললেন, এ হচ্ছে জায়েদ। আজ হতে সে মুক্ত এবং আমার পুত্র। সে আমার উত্তরাধিকারী হবে এবং আমি তার উত্তরাধিকারী হব।


কী আশ্চর্য কথা! তাঁকে কাবা চত্বরে আসতে দেখেই কুরাইশদের আলোচনা থেমে গিয়েছিল। যখন তিনি কথা বলে উঠলেন, কেউ টু শব্দটি পর্যন্ত করার সাহস পেল না। সকলে রুদ্ধশ্বাসে শুনছিল সে ঘোষণা। এ কী করে সম্ভব! বলা নেই কওয়া নেই উকাজের বাজার হতে কিনে আনা দাসকে মুক্ত করে দিয়েছে! সেটা না হয় মেনে নেওয়া গেল, তাই বলে তাকে নিজের উত্তরাধিকারী বানাতে হবে? সে কি এ সমাজের রীতিনীতি সব উল্টে দিতে চায়? গোত্রের কৌলিনা আর আরবের ঐতিহ্যকে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে চায়?


তখনকার আরব ছিল পৃথিবীর অন্যান্য সকল অঞ্চলের চেয়ে অনেক পিছিয়ে, অনেক অন্ধকার। শিক্ষা আর আত্মশুদ্ধির পথের ব্যাপারে তারা ছিল একেবারেই বেখবর। এ ছিল এমন এক পৃথিবী যেখানে মানুষের সংখ্যা কম ছিল না, কিন্তু মানবতার অভাব ছিল প্রকট। সাধারণ মানুষের জীবন-সম্মান সম্পদ সবকিছু যেখানে ক্ষমতাবানের খেলার পুতুল মাত্র, সেখানে একজন ক্রীতদাসের অধিকার বলে কোনো কিছু থাকার প্রশ্নই ওঠে না। বাজারের ক্রীতদাস আর বনের পশুর মাঝে তেমন পার্থক্য করা হতো না সে সমাজে। এমন সমাজে একজন 'নিকৃষ্ট' ক্রীতদাসকে শুধু মুক্ত করে দেওয়াই নয়, নিজের পুত্র বলে স্বীকৃতি প্রদান--একটা প্রবল ভূকম্পন ছাড়া আর কী!


সেদিন হতে মুক্ত ক্রীতদাস জায়েদ, তত দিন পর্যন্ত জায়েদ ইবনে মুহাম্মদ (মোহাম্মদের পুত্র জয়েদ) নামে সমাজে পরিচিত হলেন, যত দিন না কোরআনের আমোঘ বাণী রক্তের সম্পর্কিত পিতা ব্যতীত অন্য কাউকে পিতৃপরিচয় দানের রীতি রহিত করে। এর পরের ঘটনা তো ইতিহাস। ইতিহাস ভালোবেসে এ ঘটনা বিবৃত করেছে নিজের কালো হরফে যেখানে ইতিহাসের সকল উপমা ছবির।


স্থিরচিত্তে দাসত্বকে বরণ করে নেওয়া জায়েদ মুক্তি তো পেলেনই, সেই সঙ্গে মক্কার শ্রেষ্ঠতম ব্যক্তির পুত্র হিসেবে গৃহীত হলেন। খাদিজার ঘরেই তিনি প্রতিপালিত হতে লাগলেন। রাসুলের সাহাবিদের মাঝেও সম্মান ও মর্যাদার উচ্চাসনে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন। তিনি পরিচিত হলেন জায়েদ ইবনে হারিসা নামে। ইতিহাসে অঙ্কিত হয়ে রইল তাঁর নাম।


দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর শাসনামলে তিনি জায়েদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর পুত্র উসামা ইবনে জায়েদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর রাষ্ট্রীয় ভাতা স্বীয় পুত্র প্রখ্যাত সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে উমরের চাইতে বেশি নির্ধারণ করেন। এতে আবদুল্লাহ আপত্তি জানান। উমর তাঁকে এই বলে চুপ করিয়ে দেন, উসামা আল্লাহর রাসুলের কাছে তোমার চেয়ে বেশি প্রিয় ছিলেন, আর তাঁর পিতাও আল্লাহর রাসুলের কাছে তোমার পিতার চেয়ে প্রিয় ছিলেন।


এ কথা শুনে আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু চুপ করে যান। খাদিজা-মুহাম্মদের বিয়ের প্রথম রাত। আজ খাদিজা প্রশান্ত। পৃথিবী নির্বাক।

আজ সমগ্র সৃষ্টি বিমুগ্ধ নয়নে তাকিয়ে আছে খাদিজার বাড়িটির দিকে। ধরণির সকল সুখ যেন আজ গলে গলে পড়ছে খাদিজার বাড়ির চাতালে। আজ তিনি পূর্ণ। তাঁর হৃদয় আজ ভালোবাসায় তৃপ্ত তৃপ্ত নয়নে তিনি মুহাম্মদের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকেন। এ কেবল প্রেমের মুগ্ধতা নয়, এ যেন অনন্ত বিস্ময়ের এক আবিষ্কার। বহু সাধনা আর পরম আরাধ্যের পর এমন পরশপাথর মেলে এ মাটির পৃথিবীতে।


খাদিজার সঙ্গে মুহাম্মদের বিয়ে হয়েছে কিছুদিন হলো। সুখে-শান্তিতে কেটে যাচ্ছে তাঁদের দিন। খাদিজা সব সময় মুহাম্মদকে আগলে রাখেন নিজের কাছে। মুহাম্মদ কখনো কোনো কাজে বাইরে গেলে তিনি বেচঈন হয়ে থাকেন ঘরের ভেতর। মুহাম্মদের ফেরার জন্য উদগ্রীব হয়ে বসে থাকেন। তা ছাড়া তিনিও চাচা আবু তালিবের মতো ইহুদি বা অন্য কোনো গোত্রের দ্বারা মুহাম্মদের জীবনশঙ্কার ভয় করেন। এ কারণে সব সময় তাঁকে চোখে চোখে রাখতে চান। তিনি বাইরে থেকে ফিরে এলেই যেন তাঁর অন্তরে স্বস্তি আসে। নয়তো সারাক্ষণ তাঁর মন উচাটন হয়ে থাকে।


এরই মধ্যে একদিন আবু তালিব তাঁর ক্রীতদাস নাবাকে ডেকে বললেন, 'যাও তো খাদিজার বাড়িতে, সেখানে নতুন বর-বধূ কীভাবে সংসার করছে

একটু দেখে আসো।' মূলত আবু তালিব তাঁর প্রিয় ভাতিজার ব্যাপারে সব সময় একটু বেশি খেয়াল রাখতেন। খাদিজা মুহাম্মদকে কীভাবে বরণ করে নিয়েছেন সেটাই তিনি দেখতে চাইছিলেন। নাবা নবপরিণয়া সংসার থেকে ফিরে এসে আবু তালিবকে বলতে লাগলেন, 'আমি যা দেখেছি তা এককথায় অসাধারণ। খাদিজা যখন মুহাম্মদকে বাড়ির দিকে আসতে দেখেন, তখন তিনি দৌড়ে দরজার কাছে গিয়ে তাঁকে সম্ভাষণ জানান। তাঁর হাত দুটো ধরে তাঁকে ঘরের ভেতর এনে বসান এবং বলতে থাকেন, আপনার জন্য আমার পিতা-মাতা উৎসর্গ হোক। আপনার জন্য এই যে অস্থিরতা, পৃথিবীর আর কারও জন্য আমার এমন অস্থিরতা হয় না। আমি জানি, আপনিই সেই প্রতিশ্রুত পুরুষ। কথা দিন, আপনি যখন নৰি হবেন, তখন আমাকে ভুলে যাবেন না। আপনার অন্তর থেকে আমাকে মুছে ফেলবেন না। আপনি আমার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করুন, যিনি আপনাকে এ পৃথিবীলোকে প্রেরণ করেছেন।


খাদিজা এমন অস্থিরতা প্রায়ই দেখাতেন। তাঁর এমন কান্নাভেজা আরতি শুনে মুহাম্মদ তাঁকে কাছে টেনে আশ্বস্ত করে বলতেন, 'আল্লাহর কসম করে বলছি, আমি যদি সত্যিই সেই প্রতিশ্রুত নবি হয়ে থাকি, তবে কোনো দিন তোমাকে ভুলে যাব না। তোমাকে তোলা সম্ভব নয়। কেননা তুমি আমার জন্য নিবেদন করেছ অপরিশোধযোগ্য ভালোবাসা, যার কোনো প্রতিদান হয় না।


নিয়মমাফিক যেতে লাগল পৃথিবীর দিন। শীত গিয়ে বসন্ত, আবার গ্রীষ্ম আসত মক্কায়, মরুঝড়ের দিন শেষ হয়ে আবার আসত পুবালি সমীরণের দিন।

খাদিজার সংসারেও দিনকে দিন খুশির মাতোয়ারা মিছিল হতে লাগল।


বেহেশতি ফল্গুধারায় আচ্ছাদিত এ সংসারে সুখ কখনো ফিকে হতে দিতেন না তিনি। সামান্য কোনো দুঃখ-কষ্ট এলেও তিনি সযতনে তা মুছে নিতেন,

মুহাম্মদের হৃদয়ে কষ্টের বিন্দুমাত্র স্পর্শ লাগতে দিতেন না। পৃথিবীর সকল অনিষ্ট থেকে ডাকে আগলে রাখতেন।


খাদিজার বিয়ের দুই বছর পর তাঁর কোলজুড়ে আগমন করে এক পুত্রসন্তান। নাম রাখা হয় কাসিম। তাঁর নামানুসারে মুহাম্মদকে আবুল কাসিম ডাকা হতো। যদিও এ পুত্র হাঁটাচলার বয়সেই ইন্তেকাল করেন। প্রথম সন্তানের মৃত্যুতে দারুণ ব্যথিত হন মুহাম্মদ ও খাদিজা। তবু খাদিজা ভেঙে পড়েননি,

ব্যথাতুর মুহাম্মদকে সান্ত্বনা দিয়ে বলিষ্ঠ করেছেন। এটা বিয়ের পঞ্চম বছরের ঘটনা।


৩০০ ঈসায়ি সাল, যে বছর কাসিম ইন্তেকাল করেন, সে বছরই খাদিজার প্রথম কন্যাসন্তান জন্মগ্রহণ করেন। প্রথম কন্যার নাম রাখা হয় জয়নব ।


৬০৩ ঈসায়ি সালে জন্মগ্রহণ করেন দ্বিতীয় কন্যা রোকাইয়া। ৬০৫ ঈসায়ি সালে জন্মগ্রহণ করেন তৃতীয় কন্যা উম্মে কুলসুম।


৬০৮ ঈসায়ি সালে জন্মগ্রহণ করেন চতুর্থ কন্যা ফাতেমা।


৬১২ ঈসায়ি সালে নবুওয়াতপ্রাপ্তির তৃতীয় বছর জন্মগ্রহণ করেন খাদিজার শেষ সন্তান আবদুল্লাহ। তিনিও দুধপান বয়সেই ইন্তেকাল করেন।


১২তম পর্ব পড়ুন : 👉 এইখানে ক্লিক করুন

No comments

Powered by Blogger.