উম্মুল মু'মিনীন হযরত খাদিজা বিনতে খুয়াইলিদ রদিয়াল্লাহু আনহা এর জীবনী ১২তম পর্ব | Mother of the believers Khadija (RA)
হযরত খাদিজা বিনতে খুয়াইলিদ রদিয়াল্লাহু আনহা
চারদিকে নিকষ আঁধার। এক টুকরো আলো নেই কোথাও। চারদিকে জাহেলিয়াত। মানুষের মাঝে মানবতার নাম-নিশানারও অস্তিত্ব নেই। পাপের সয়লাবে ভেসে যাচ্ছে পৃথিবীর সফেদ জমিন। পঙ্কিলতার অভল তমসায় ছেয়ে। আছে সমগ্র ভূগোল। একত্ববাদের শিক্ষা বিলীন হয়ে গেছে অনেক আগেই। অদ্ভুত সব ধর্মবিশ্বাস আর দেবতায় ভরে গেছে মানুষের মনমন্দির। যে যার মতো নিজস্ব ধর্ম বানিয়ে নিচ্ছে। যাকে ইচ্ছা তাকে খোদা বলে স্বীকার করছে। যে জিনিসকে ভালো লাগছে সেটারই পূজা শুরু করছে। কোথাও একেশ্বরবাদী ধর্মের কোনো আলো নেই।
মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম এর থেকে ব্যতিক্রম। আরবের মানুষের মাঝে পালিত সকল ধর্মবিশ্বাস থেকে তিনি পবিত্র। কোনো মানবনির্মিত দেবতার পূজায় তিনি কখনো হৃদয়ের অর্থ দান করেননি। তিনি অসাড় অন্তঃসারশূন্য মাটির প্রতিমার সামনে কোনো দিন মাথানত করেননি। তিনি ছিলেন সবার চেয়ে আলাদা, সবার চেয়ে পবিত্র। তিনি ধীমান ছিলেন, ছিলেন তাঁর বংশীয় আদি পিতা নবি ইবরাহিম (আ.)-এর রেখে যাওয়া একেশ্বরবাদী ধর্মের অনুসারী। সে সময় পৃথিবীতে এ ধর্মের নির্দিষ্ট কোনো জনগোষ্ঠী ছিল না যদিও, তবু কিছু মানুষ আল্লাহকে একনিষ্ঠভাবে পাওয়ার ইচ্ছায় পালন করত ইবরাহিমীয় ইবাদত ও রীতিনীতি। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম নির্জনে ইবরাহিমীয় ইবাদতের ধ্যান করতেন। ইবরাহিম আদিষ্ট একক ও অবিনশ্বর আল্লাহর আরাধনা করতেন নিভৃতে।
লোকচক্ষুর আড়ালে গিয়ে তিনি নীত হতেন আল্লাহর অনুগ্রহ তালাশে। তিনি জানতেন, যদি তিনি ইবরাহিমের এ ধর্মবিশ্বাস মানুষের মাঝে থেকে পালন করেন, তাহলে লোকজন তাঁকে গালমন্দ করবে, তাঁকে পথভ্রষ্ট বলে হেয় করবে। এ কারণে তিনি নিজের ধর্ম পালনের জন্য বেছে নিলেন নির্জনতা। মক্কার প্রায় আড়াই মাইল দূরবর্তী জাবালে নূরের চূড়াদেশে একটি নির্জন গুহা হয়ে ওঠল তাঁর ধ্যানমগ্নতার প্রধান কেন্দ্র। তা ছাড়া তিনি নবুওয়াতি বয়সের যত নিকটবর্তী হতে লাগলেন, ততই আশ্চর্য সব বিষয়াবলি তাঁর সামনে উদ্ভাসিত হতে থাকে। একদিন তিনি রাতে ঘুমিয়ে ছিলেন। ঘুমের মধ্যে স্বপ্নে দেখলেন-তাঁর ঘরের ছাদের কড়িকাঠ খুলে ফেলা হলো। কাঠ খুলে ফেলার কারণে ছাদের খোলা অংশ দিয়ে ওপরের আকাশ দেখা যাচ্ছে। একটু পর সে খোলা ছাদ দিয়ে রুপার একটি তশতরি নেমে এল। রুপার তশতরির ওপর ভর করে দুজন লোকও নেমে আসছে ঘরের মধ্যে। এটি ছিল এক অভাবনীয় দৃশ্য। রুপার তশতরিতে ভর করে দুজন অপরিচিত শ্বেত-শুভ্র পোশাকপরা মানুষ ভেসে আসছে, যারপরনাই ভয় পাওয়ার মতো দৃশ্য। মুহাম্মদ ভয় পেলেন। তিনি সাহায্যের জন্য কাউকে ডাকতে চাইলেন কিন্তু ডাকার মতো কোনো শব্দ জোগাল না তাঁর মুখে। আশপাশে কাউকে দেখতেও পেলেন না। অগত্যা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে বিছানায় পড়ে রইলেন।
রুপার তশতরিতে ভেসে আসা লোক দুজনের একজন মুহাম্মদের বুকের পাশে বসে পড়ল। সে তাঁর হাত দুটোকে দুদিকে ধরে রাখল। অন্যজন বিশেষ প্রক্রিয়ায় তাঁর বাঁ পাঁজরের দুটো হাড় আলগা করে ফেলল সন্তর্পণে। লোকটি পাঁজরের ভেতরে হাত ঢুকিয়ে তুলে আনল তাঁর জীবন্ত হৃৎপিণ্ড।
অস্ত্রোপচার তখনো চলছিল। মুহাম্মদ লোকটির হাতে ধরা নিজের হৃৎপিণ্ডের চাপ অনুভব করতে পারছিলেন। তাঁর কষ্ট হচ্ছিল। তিনি বুঝতে পারছিলেন না, লোক দুজন মানুষ নাকি ফেরেশতা। হৃৎপিণ্ড হাতে ধরা লোকটি কথা বলে উঠল, এ মহান মানুষটির হৃৎপিণ্ড অসম্ভব সুন্দর!"
এরপর লোকটি সঙ্গে নিয়ে আসা একটি পাত্রে হৃৎপিণ্ডটি রেখে বিশেষ প্রক্রিয়ায় শোধন করল। পরিশোধিত হৃৎপিণ্ডটি পুনরায় পাঁজরের অভ্যন্তরে প্রতিস্থাপন করে লোক দুজন ছাদের ফোকর গলে বেরিয়ে গেল। ছাদের কড়িকাঠ আবার আগের মতোই নিশ্ছিদ্র হয়ে রইল। মুহাম্মদ এ স্বপ্ন দেখে জেগে উঠলেন। তিনি ভীতসন্ত। পাশে শুয়ে থাকা খাদিজাকে ডেকে সদ্যসমাপ্ত স্বপ্নদৃশ্য বর্ণনা করলেন। খাদিজা পেরেশান হলেন না মোটেও।
তিনি ভয় পেলেন না স্বামীর বিচলিত হওয়াতে। কেন ভয় পাবেন? তিনি নিজেও তো এমন স্বপ্নের সাক্ষী। স্বর্গীয় আলোকবিতা একসময় তাঁকেও আলোকিত করেছিল স্বপ্নমহিমায়। তিনি তো তাঁর স্বামীর এমন অলৌকিক স্বপ্নেরই প্রত্যাশা করেন। তাঁর স্বামীর এ স্বপ্ন কি তাঁর স্বপ্নেরই নবরূপায়ণ নয়?
খাদিজা স্বামী মুহাম্মদকে নিজের দিকে টেনে নিলেন। তাঁকে ভালোবাসার বাহুডোরে আগলে নিয়ে অভয় দিয়ে বললেন, আপনি ভয় পাবেন না। এ তো আপনার জন্য সুসংবাদ। এ স্বপ্নের বাস্তবতা শিগগির প্রতিফলিত হবে। দুশ্চিন্তা করবেন না, আল্লাহ কখনো আপনাকে মন্দ প্রতিদান দেবেন না। আপনি সত্যবাদী, আপনি আরবের মধ্যে সবচেয়ে বিশ্বস্ত ব্যক্তি, আপনি আত্মীয়তা রক্ষায় অগ্রগামী। আল্লাহ আপনাকে বিপদে ফেলবেন না। তিনি আপনাকে সুসংবাদ দেবেন সত্বর।'
কখনো এমন হতো তিনি জাবালে নুরের সাধনাকেন্দ্রে যাওয়া বা আসার পথে পথপাশের বৃক্ষ, তরুলতা, এমনকি পাথরের ফিসফিসানি শুনতে পেতেন। সেগুলো তাঁর নাম ধরে সম্ভাষণ জানাত। তিনি অদৃশ্যের এমন সম্ভাষণে বিচলিত হয়ে পড়তেন। জলদি এসে নিজেকে সমর্পণ করতেন খাদিজার অভয়াশ্রয়ে। খাদিজা তাঁকে সান্ত্বনার পরশে আশ্বস্ত করতেন। মুহাম্মদ তবু শান্ত হতেন না। খাদিজাকে প্রশ্ন করতেন, আমি কি পাগল হয়ে যাচ্ছি?”
বস্তুত যিনি বৃক্ষ, তরুলতা, পাথরের গুঞ্জরিত সম্ভাষণ শুনতে পান, লোকে শুনলে তাঁকে তো পাগলই ভাববে। রাত্রিঘুমে যাঁর বুকে অস্ত্রোপচার করে অন্তকরণ পরিশোধন করা হয়, এমন কথা জানাজানি হলে লোকজন তাঁকে পাগল ছাড়া আর কী বলবে। কিন্তু খাদিজা একবারের জন্যও মুহাম্মদকে পাগল ভাবেননি। বরং তিনি এই অতিলৌকিক প্রতিটি কাজকে সাদরে বরণ করে নিলেন। তিনি প্রতীক্ষা করলেন-এ প্রতিটি ঘটনাই মুহাম্মদের প্রত্যাদিষ্ট হওয়ার স্বপ্নসিঁড়ির ধাপমাত্র।
মক্কা থেকে জাবালে নুর দুই মাইল দূরত্বে। পাহাড়ের পাদদেশ থেকে হেরা গুহায় উঠতে আরও আধা মাইল। খাদিজা প্রায়ই আসেন এখানে। কখনো-বা মুহাম্মদকে সঙ্গ দিতে, কখনো তাঁর খবর নিতে, কখনো মুহাম্মদের খাবার শেষ হয়ে গেলে নিজেই আড়াই মাইল দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে এ গুহায় আসেন। তিনি কখনো নিঃসঙ্গ অনুভব করলে এ গুহাবাসে মুহাম্মদের সঙ্গে রাত্রিযাপন করেন। গুহার সঙ্গিন পাথরে মাথা রেখে সারা রাত কথা বলেন দুজনে, রাতের আকাশে তাকিয়ে দেখেন তারাদের ঝিলমিল শামিয়ানা। কথা বলেন মুহাম্মদের ধ্যান-সাধনা কিংবা নতুন কোনো অলৌকিক ঘটনার ব্যাপারে। বরাবরের মতো খাদিজা নিজের অভিভাবকত্ব দিয়ে তুলার মতো মুহাম্মদের মন থেকে উড়িয়ে দেন দুশ্চিন্তার কালো মেঘ।
ভোর হলে দুজন একসঙ্গে চলে যান মক্কা নগরীতে। কখনো পাহাড়ের পাদদেশে কেবল একটা বড় কাপড় টাঙিয়ে রাত্রিবাস করেন দুজন। খাদিজা মুহাম্মদের জন্য শুকনো খাবার আর পানীয় নিয়ে আসেন। সকাল হলে খাদিজাকে বিদায় দিয়ে মুহাম্মদ আবার চলে যান তাঁর সাধনাকেন্দ্রে, আর খাদিজা পথ ধরেন মক্কার।
এত সবের পরও মুহাম্মদকে নিয়ে খাদিজার দুশ্চিন্তার অন্ত ছিল না। সর্বদা মুহাম্মদের খবর রাখার জন্য একজন ক্রীতদাস নিযুক্ত করলেন তিনি। এ ক্রীতদাস জাবালে নুরের পাদদেশে বকরি চরাত এবং মাঝেমধ্যে মুহাম্মদের সার্বিক দেখভাল করে আসত।
এক রাতে মুহাম্মদ ধ্যানমগ্ন ছিলেন। হঠাৎ শুনতে পেলেন এক অপার্থিব সম্বোধন: 'হে মুহাম্মদ! আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক। মুহাম্মদ শব্দের উৎসের দিকে তাকিয়ে দেখলেন, অতিকায় এক অবয়ব ভেসে আছে শূন্য ইথারে। তিনি জিবরাইল।
কিন্তু মুহাম্মদ বাস্তবে কখনো কোনো ফেরেশতাকে তাঁর স্বমূর্তিতে দেখেননি। জিবরাইলকে দেখে তিনি শঙ্কিত হয়ে পড়লেন। কেননা এই দৃশ্য মোটেও স্বাভাবিক কোনো দৃশ্য ছিল না। অস্বাভাবিকতার ভয়ালদর্শন তাঁকে মুহূর্তে ভীত করে তুলল।
তিনি সাধনাকেন্দ্র থেকে দ্রুত নিচে নেমে এলেন এবং দৌড়ে মক্কায় গিয়ে খাদিজার আশ্রয়ে নিজেকে সমর্পণ করলেন। খাদিজাকে খুলে বললেন, যা তিনি এইমাত্র দেখে এসেছেন। ভয়ে তাঁর শরীর কাঁপছিল। খাদিজা তাঁকে জড়িয়ে ধরলেন, তাঁকে নিজের বুকে রেখে সাহস জোগালেন, তাঁকে নবুওয়াতের জন্য একজন মহামানব হিসেবে প্রস্তুত করতে লাগলেন। অভয় দিয়ে বললেন, আপনার কিচ্ছুটি হবে না। এ আপনার জন্য এক কল্যাণ সংবাদ। কারও জন্য শান্তি কামনা অবশ্যই মহৎ কিছুর ইঙ্গিতবহ।
এমন ঘটনা আরেক রাতে ঘটল। জিবরাইল সরাসরি তাঁকে সম্বোধন করে বললেন, 'হে মুহাম্মদ! ভয় পাবেন না, আমি জিবরাইল। কিন্তু সাধারণ নিরক্ষর একজন মানুষ হিসেবে মুহাম্মদের ভয় পাওয়ার যথেষ্ট কারণ ছিল।তিনি আবার হেরাকেন্দ্র থেকে ছুটে এসে নিজেকে সমর্পণ করলেন খাদিজার আঁচলতলে।
বারবার আওড়াচ্ছিলেন, 'আমার ভয় হচ্ছে. আমি অস্থির হয়ে আছি। জানি না, আমি সম্ভবত পাগল হয়ে যাচ্ছি।'
খাদিজা বুঝতে পারছিলেন, সময় সমাগত। ঐশী কিছু একটা ঘটার জন্য সময় উন্মুখ হয়ে আছে। মুহাম্মদকে নবি হিসেবে বরণ করে নেওয়ার জন্য পুরো ধরিত্রী অধীর আগ্রহে অপেক্ষমাণ। এভাবে মুহাম্মদ যখন প্রতিবার ভয় পেয়ে আসতেন, তখন তিনি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে ঘটনার বিবরণ শুনতেন। তিনি বুঝতে চেষ্টা করতেন, নবুওয়াতের নুরঝলক মুহাম্মদকে চমকিত করেছে কি না। তিনি তাঁকে প্রবোধ দিতেন, ভালোবাসা আর মমতার চাদরে ঢেকে নিয়ে তাঁকে শক্তি সাহসে বলীয়ান করতেন। আবার স্বামীর জীবনশঙ্কার ভয়ও করতেন।
বস্তুত মুহাম্মদকে জিবরাইলের অলৌকিক দর্শন ও শব্দের সঙ্গে পূর্বপরিচয়ের জন্যই এমনটি করা হয়েছিল, যাতে পরম মুহূর্তে তিনি সীমাহীন বিচলিত হয়ে না পড়েন। জিবরাইলের কন্ঠস্বরের মাধ্যমে তাঁকে সাহসী করে তোলা হচ্ছিল। আর ঘরে খাদিজা ছিলেন তাঁর মানসিক ভরসার অন্যতম শক্তিকেন্দ্র। সকল শঙ্কা, ভয়, দুশ্চিন্তা থেকে তিনি তাঁকে মুক্ত করে আনতেন মানবীয় ভালোবাসায়। কখনো তাঁকে ভীত হতে দিতেন না।
এর পর থেকে এমন ঘটনা প্রায়ই ঘটতে লাগল। কখনো তিনি অপার্থিব আলো দেখতে পান, কখনো অদৃশ্যের সম্বোধন শুনতে পান, কখনো প্রকৃতির অস্বাভাবিক কোনো দৃশ্য দেখতে পান। খাদিজাকে তিনি প্রতিটি ঘটনা বর্ণনা করতেন। এসব শুনে খাদিজা মুহাম্মদকে চাচাতো ভাই ওয়ারাকা ইবনে
নওফেলের কাছে নিয়ে গেলেন। ওয়ারাকা ঘটনাগুলো শুনেই বুঝতে পারলেন, মুহাম্মদের সময় অত্যাসন্ন। তিনি মুহাম্মদকে অভয় দিয়ে বললেন, আপনার বর্ণিত এসব ঘটনা যদি সত্য হয়, তাহলে তিনি তো সে ফেরেশতা, যিনি মুসা নবির কাছে পয়গাম নিয়ে আসতেন। ভয়ের কিছু নেই, আমার জীবদ্দশায় যদি আপনি নবুওয়াতপ্রাপ্ত হন, তাহলে আমি আপনাকে পূর্ণ সমর্থন জানাব। আপনার নবুওয়াতি কাজে সব ধরনের সহযোগিতা করব এবং আপনার ওপর প্রেরিত ধর্মের প্রতি ঈমান এনে সম্মানিত হব। হায়, যদি আমি তত দিন বেঁচে থাকতাম !
মুহাম্মদ মূলত খাদিজা, ওয়ারাকা এবং পূর্বেকার অনেক অলৌকিক ভবিষ্যদ্বাণীর কারণে যদিও এমন কিছু আশা করছিলেন- হতে পারে আবার না-ও হতে পারে; কিন্তু তিনি আসলে জানতেন না নবুওয়াতের সত্যিকারের প্রত্যাদেশ কেমন হয় বা কীভাবে আল্লাহর প্রত্যাদেশ ধরার বুকে আগমন করে। কারণ তিনি নিরক্ষর ছিলেন, পড়তে জানতেন না। পূর্বেকার কিতাবের বিষয়ে তাঁর জ্ঞান ছিল সামান্য। তিনি আরবের আর সবার থেকে আলাদা ছিলেন, সবার চেয়ে উন্নত মানসিকতা এবং চারিত্রিক নিষ্কলুষতায় তাঁকে নিয়ে বাজি ধরা যেত।
১৩তম পর্ব পড়ুন: 👉এখানে ক্লিক করুন

No comments