উম্মুল মু'মিনীন হযরত খাদিজা বিনতে খুয়াইলিদ রদিয়াল্লাহু আনহা এর জীবনী ১০ম পর্ব | Mother of the believers Khadija (RA)
হযরত খাদিজা বিনতে খুয়াইলিদ রদিয়াল্লাহু আনহা
মুহাম্মদের সঙ্গে বিয়ের কিছুদিন পর খাদিজা নিজের পুরোনো বাড়ি ছেড়ে তাঁর ভাতিজা হাকিম ইবনে হিজামের উপহার দেওয়া বাড়িতে উঠে আসেন। বাড়িটি, বড় ছিল এবং মুহাম্মদ ও খাদিজা ছাড়াও এ বাড়িতে আরও কয়েকজন সদস্য একসঙ্গে থাকতেন। খাদিজাকে এমনিতেই কুরাইশ রাজকুমারী' বলে ডাকা হতো না, সত্যিকার অর্থেই তিনি সকলের জন্য ছিলেন উদারহস্ত। এ কারণে তাঁর বাড়ি সব সময় সরগরম হয়ে থাকত আত্মীয়জনের পদভারে।
সংক্ষেপে বাড়ির সদস্যদের পরিচয় জেনে নেওয়া যাক। খাদিজার প্রথম স্বামী আবু হালার ঔরসজাত ছেলে হিন্দ থাকতেন তাঁর সঙ্গে। দ্বিতীয় স্বামী আতিক ইবনে আইয়াদের ঔরসজাত মেয়ে হিন্দাও থাকতেন তাঁদের পরিবারে। বিয়ের কিছুদিন পর মক্কায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে আবু তালিব তাঁর ছেলে আলিকে মুহাম্মদ ও খাদিজার পরিবারে প্রতিপালনের অনুরোধ করেন। মুহাম্মদ খুশিমনে চাচাতো ভাই আলিকে তাঁর পরিবারে শামিল করে নেন। কেননা কিছুদিন আগে পর্যন্ত তিনি এ চাচার পরিবারেই মানুষ হয়েছেন। জুবায়ের ইবনে আওয়াম। জুবায়েরের পিতা আওয়াম একদিক থেকে খাদিজার বড় ভাই এবং অন্যদিকে তাঁর মা ছিলেন মুহাম্মদের ফুফু। দুদিক থেকেই তিনি এ পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ছিলেন বিধায় তাঁর পিতার মৃত্যুর পর তিনি এ পরিবারেই বেড়ে ওঠেন।
রাসুলের নবুওয়াত ঘোষণার পর একদম প্রথম দিকে মুসলিম হওয়ার গৌরব অর্জন করেন যে গুটিকয়েক সৌভাগ্যবান, জুবায়ের ইবনে আওয়াম তাঁদের একজন। মাত্র ১২ বছর বয়সে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি বেড়ে ওঠেন সরাসরি রাসুলের তত্ত্বাবধানে। ইথিওপিয়ায় হিজরতকারীদের সঙ্গী ছিলেন তিনি সেখান থেকে পরবর্তী সময়ে তিনি মদিনায় হিজরত করেন। কাফেরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের দামামা বেজে উঠলে বদর প্রান্তরে ইসলামের পক্ষে সর্বপ্রথম তাঁর তরবারি কোষমুক্ত হয়। এ যুদ্ধে ফেরেশতারা তাঁর আকৃতিতে অংশগ্রহণ করেছিলেন। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম বলতেন, 'প্রত্যেক নবিরই একজন প্রতিচ্ছায়া থাকে। আমার প্রতিচ্ছায়া জুবায়ের।
পৃথিবীতে থাকতেই যে ১০ জন সাহাবি বেহেশতের সুসংবাদ পেয়েছিলেন, জুবায়ের তাদের একজন। রাসুলের ইন্তেকালের পর তিনি মুসলিম জাতির
অন্যতম নেতা হিসেবে অধিষ্ঠিত হন। উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর খেলাফতের পর খলিফা নির্বাচনের ছয় সদস্যের পর্ষদের একজন ছিলেন তিনি। হাকিম ইবনে হিজাম ছিলেন খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহার ভাতিজা। ফুফু খাদিজার সার্বক্ষণিক ব্যবসায়িক সহযোগী ছিলেন তিনি। খাদিজাকে তিনি মায়ের মতো ভালোবাসতেন। খাদিজার যেকোনো আপদ-বিপদে তিনি এগিয়ে
আসতেন। হাকিমকে বিশেষ একটা কারণে কাবার সন্ধান' বলে ডাকা হতো।
ইসলামপূর্ব যুগে বিশেষ বিশেষ সময়ে কাবা শরিফের দরজা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হতো। 'হাতির বছর'-এর তিন বছর আগে যখন তিনি মায়ের গর্ভে, তখন তাঁর মা কাবা শরিফের ভেতর ঢোকেন গর্ভস্থিত সন্তানের জন্য প্রার্থনা করতে। প্রার্থনা করতে করতে হঠাৎ সেখানে তাঁর প্রসবব্যথা শুরু হয়ে যায়। প্রবল বেদনায় তিনি কাবার মেঝেতে শুয়ে পড়তে বাধ্য হন এবং সেখানেই ভূমিষ্ঠ হয় এক সৌভাগ্যবান শিশু। তার নাম রাখা হয় হাকিম। অত্যন্ত সম্ভ্রান্ত ও সচ্ছল পরিবারে বেড়ে ওঠেন হাকিম।
তিনি নিজেও ছিলেন বুদ্ধিমান, ভদ্র ও জ্ঞানী ব্যক্তি। তাই গোত্রের লোকজন তাঁকে নিজেদের নেতা বানিয়ে 'রিফাদাহ'-এর মতো সম্মানজনক পদে ভূষিত করেছিল। রাসুলের নবুওয়াতপ্রাপ্তির অনেক আগে থেকেই হাকিম তাঁর অন্তরঙ্গ বন্ধু ছিলেন। রাসুলের চেয়ে বয়সে তিন বছরের বড় হলেও তিনি তাঁর কাছে আসা যাওয়া করতেন নিয়মিত। যখন রাসুলের সঙ্গে খাদিজার বিয়ে হয়, তখন আত্মীয়তার সম্পর্কের কারণে হাকিমের সেই অন্তরঙ্গতা আরও সুদৃঢ় হয়। নবুওয়াতের পরও খাদিজার বাড়িতে তাঁর অবাধ যাতায়াত ছিল। মক্কার পৌত্তলিকরা যখন মুসলিমদের আৰু তালিব গিরিখাদে বয়কট করে রাখে, তখন হাকিম গোপনে মুসলিমদের সাহায্য করতেন। প্রয়োজনীয় খাবার ও রসদ পৌঁছে দিতেন তাঁদের কাছে।
নিজের ফুফুর সামান্য কষ্টও তিনি সহ্য করতেন না।
মক্কার পৌত্তলিকদের সঙ্গে মুসলমানদের মধ্যে সংঘটিত হুনাইনের যুদ্ধের পর মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম যুদ্ধলব্ধ সম্পদ থেকে হাকিমকে ১০০ উট উপহার দেন। এর মাধ্যমে তিনি হাকিমের মনে ইসলামের প্রতি ভালোবাসা উন্নত করতে চেয়েছিলেন।
মুহাম্মদ ও খাদিজার সঙ্গে এত চমৎকার সম্পর্কের পরও আশ্চর্যের কথা হলো, তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন মক্কা বিজয়ের পর। অথচ ততদিনে রাসুলের নবুওয়াতপ্রাপ্তির প্রায় ২০টি বছর কেটে গেছে। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন ঘোষণা করেন যারা হাকিম ইবনে হিজামের ঘরে আশ্রয় নেবে, তাদের ক্ষমা করা হবে। অথচ তখনো হাকিম মুসলিম হননি। মক্কা বিজয়ের পর যখন তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন, তখন মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম তাঁকে উদ্দেশ্য করে বলেন, মুসলমান হওয়ার পর নিশ্চয় তুমি পূর্বের অনেক শুভকাজ সঙ্গে করে নিয়ে এসেছ। খাদিজা-মুহাম্মদ পরিবারে প্রতিপালিত হচ্ছিলেন জায়েদ ইবনে হারিসা। এ ক্রীতদাস বালকের জীবনকাহিনি যেন এক রূপকথা। মুহাম্মদ পরিবারে তাঁর অন্তর্ভুক্তি থেকে শুরু করে জীবনের শেষ দিনটি পর্যন্ত তিনি ছিলেন রাসুলের স্নেহছায়ায় ধন্য এক পুরুষ। ইতিহাস তাঁকে স্মরণ করেছে বড় সম্মান দিয়ে।
জায়েদের পরিচয়টা জানতে হলে আরেকটু পেছনে ফিরে যেতে হবে। চলে যেতে হবে আরব থেকে আরেকটু দূরে লোহিত সাগরের পারে। লোহিত সাগরের তীরঘেঁষা দক্ষিণ আরবের ইয়েমেন অঞ্চল। আরব উপদ্বীপের স্বভাবজাত রুক্ষ প্রকৃতির মাঝে উজ্জ্বল ব্যতিক্রম এ উর্বর এলাকাটি ইতিহাসের নানা উন্নত সভ্যতার সংস্পর্শে থেকে সব সময় নিজেকে সমৃদ্ধ রেখেছে। গ্রিক দার্শনিক টলেমি এর নাম দিয়েছিলেন অ্যারাবিয়া ফেলিক্স' বা 'উর্বর আরব'। কৃষি কিংবা ব্যবসা-বাণিজ্যে এ অঞ্চল সমৃদ্ধিশালী ঐতিহ্যগতভাবেই।
ইয়েমেনের এ অঞ্চলেই প্রভাবশালী গোত্র বনু কুজায়ার বাস। গোত্রপতি হারিসা ইবনে শুরাহবিল। স্ত্রী সুদা বিনতে সালাবাহও আরবের আরেক বিখ্যাত
তাগ্নি গোত্রের কন্যা। ইতিহাসখ্যাত হাতিম তায়ি এ গোত্রেই জন্মেছিলেন। এ দম্পতির আদরের পুত্র জয়েদ।
জায়েদের মা সুনা বেশ কিছুদিন ধরে বাবার বাড়ি যেতে পারছিলেন না। সময়টা ছিল নিরাপত্তাহীনতার। হত্যা-লুটতরাজ যে জনপদের মানুষের জীবনের নৈমিত্তিক অনুষঙ্গ, সেখানে এত দূরের পথ নিরাপদে পাড়ি দেওয়াটা কঠিন বৈকি। হারিসা বাস্ততার ফাঁকে সময় দিতে পারে না, তাই আট বছরের বালক জায়েদকে নিয়ে মা সুনা একদিন এক কাফেলার সঙ্গে বাবার বাড়ির পথ ধরেন।
স্ত্রী-সন্তানকে উটের পিঠে বসিয়ে বিদায় দেওয়ার সময় হারিসার বুক কেমন যেন অজানা আশঙ্কায় কেঁপে ওঠে। ঠিকমতো পৌঁছাতে পারবে তো? ওদের
গমনপথের দিকে তাকিয়ে থাকেন হারিসা। পথে কোনো সমস্যা হলো না। নিরাপদে মা-ছেলে পৌঁছে গেলেন গন্তবো। খবর পেয়ে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন হারিসা। কিন্তু বিধির বিধান না যায় । পথের বিপদ বাড়িতে এসে পড়ল। এক রাতে বনু তারি বসতির ওপর অতর্কিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে বনু কাইনের দুর্বৃত্তরা। অন্য অনেকের সঙ্গে অপহৃত হন জায়েদ। তাঁকে তুলে নিয়ে যায় হামলাকারীরা। সন্তান হারিয়ে বুকফাটা আর্তনাদে ফেটে পড়েন সুদা।
এই সেই ডকাজ বাজার। আরবের সবচেয়ে বিখ্যাত বাজার। সাধু আর শয়তান সমানভাবে সমাদৃত হয় এখানে। আজ এখানে মেলা হচ্ছে। উকাজের মেলা আরবের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বার্ষিক মেলা। সারা উপদ্বীপ এবং উপদ্বীপের বাইরে থেকে হাজারো ব্যবসায়ী পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসে তায়েফ শহরের সন্নিকটের এই মেলায়। আরবে দাস ব্যবসার সে সময়ে রমরমা অবস্থা, আর উকাজ হচ্ছে সে ব্যবসার এক লোভনীয় বাজার। দেদার বিক্রি হয় দাস-দাসী, কারও কোনো বাছবিচার নেই।
খাদিজার ভাগনে হাকিম ইবনে হিজাম এসেছেন উকাজ বাজারে। ফুফু খাদিজার বিয়ে উপলক্ষে একটি ভালো উপহার কিনতে এসেছেন। ফুফু অল্প কদিন হয় স্বনামধন্য যুবক মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহকে বিয়ে করেছেন। ফলে দুই কারণে হাকিম খুশি হয়েছেন-যুক্ত অনেক দিন বিধবা ছিলেন, শেষ পর্যন্ত তিনি বিয়ে করেছেন। দ্বিতীয় কারণ হলো, তাঁর স্বামী মুহাম্মদ অসম্ভব ভালো একজন মানুষ। এমন লোককে বিয়ে করেছেন বলে ফুফুকে ধন্যবাদ না দিয়ে পারা যায় না। মুহাম্মদকে তিনি আগে থেকেই চিনতেন।
হাকিম সেই খুশিতে ফুফুকে উপহার দেওয়ার জন্য কিছু একটা কিনতে এসেছেন উকাজের বাজারে। অনেকক্ষণ ঘুরে ভালো দেখে তিনি কিছু ক্রীতদাস কিনে নিলেন। মঞ্চায় ফুফুর বাড়িতে নিয়ে এলেন সব ক্রীতদাসকে। ফুফুর সামনে হাজির করে বললেন- যাকে পছন্দ হয় নিয়ে নিন। আপনার জন্য এ আমার সামান্য তোহফা ফুফু খাদিজা বেছে নিলেন নিষ্পাপ চেহারার এক দাসবালক। সে বালককে প্রিয়তম স্বামীর সেবার জন্য নিয়োজিত করলেন। এ বালকটিই জায়েদ। রাসুলের পালক পুত্র জায়েদ। একদিন যিনি ইসলামের ইতিহাসের বহুলাংশে মিশে যান জায়েদ ইবনে হারিসা নামে। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম তখনো নবুওয়াতপ্রাপ্ত হননি। নবি হিসেবে তখনো আবির্ভাব ঘটেনি তাঁর। সে সময়ে তিনি সমাজের মানুষের উপকারে ব্যস্ত, ব্যস্ত আত্মানুসন্ধানে। একদিকে 'হিলফুল ফুজুল'-এর মাধ্যমে সমাজের দুঃখী অত্যাচারিতের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছেন, অন্যদিকে এর স্থায়ী সমাধানের পথ অনুসন্ধানে একটু একটু করে খোদার ধ্যানে মগ্ন হয়ে উঠছেন।
এমন সময়টাতেই জায়েদ এলেন খাদিজার পরিবারে। এসে মুনিব হিসেবে পেলেন মুহাম্মদকে। কয়েক দিনেই কিশোর জায়েদ এই ব্যক্তির ভালোবাসা আর স্নেহে তাঁর ভক্ত হয়ে গেলেন। আকর্ষণীয় এক মুনিব পেয়ে নতুন জীবন শুরু হলো জায়েদের। আরবের অন্য মুনিবরা যেখানে ক্রীতদাসদের পশুরও অধম মনে করে, সেখানে জায়েদ তাঁর মালিকের ঘরে পুত্রস্নেহে লালিত হতে লাগলেন। শৈশবে হারানো পিতা-মাতার অভাব একপ্রকার ভুলতেই বসেন তিনি।
জায়েদ ছোট ছিলেন। তাঁর মনটাও ছোট, নরম। সেখানে যে দৃশ্য রাখা হয় সেটা স্থায়ী হয় না খুব বেশি। শিশুরা অতীত ভুলে যায় দ্রুত। এ কারণে মা বাবার কথা খুব একটা মনে পড়ত না জায়েদের।
সন্তান মা-বাবাকে ভুলে থাকতে পারে, কিন্তু মা-বাবা কি পারেন সন্তানকে ভুলতে? পিতা হারিসা প্রতি মুহূর্তে হারানো সন্তানের খোঁজ চালিয়ে যেতে থাকেন। মা সুদা বুকের ধনকে হারিয়ে অশ্রু বিসর্জন দেন একাকী ঘরে। এভাবেই প্রায় এক যুগের অনুসন্ধান শেষে একসময় হারিসা জানতে পারলেন, তাঁর ছেলে জায়েদ এখন মক্কায়। আছে ক্রীতদাস হিসেবে। হারিসা ছুটলেন মক্কাপানে। ছেলেকে খুঁজতে খুঁজতে চলে এলেন মক্কায়। মক্কার লোকদের জিজ্ঞেস করে জানতে পারলেন, জায়েদ নামের একটি ছেলে থাকে মুহাম্মদের বাড়িতে হারিসা তাঁর ভাই কাবকে সঙ্গে নিয়ে এসেছেন। তাঁকে নিয়ে সোজা চলে এলেন খাদিজার বাড়ির দোরগোড়ায়। আরজি একটাই-যত অর্থ লাগে লাগুক, তাঁরা আপন সন্তানকে দাসত্ব থেকে মুক্ত করতে চান, পরিবারের মাঝে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চান।
জায়েদ কে? জায়েদ একজন ক্রীতদাস মাত্র। তাঁকে উকাজের বাজার থেকে কিনে আনা হয়েছিল বাড়ির কাজ করার জন্য। কিন্তু বাস্তবিকই জায়েদ কি একজন ক্রীতদাস কেবল? জায়েদ নিজেকে কি তা-ই মনে করেন? আল্লাহর রাসুল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম কি তাঁকে ক্রীতদাস হিসেবে দেখেন? নাকি আপন সন্তানের মতোই বুকে আগলে রাখেন তাঁকে?
১১তম পর্ব পড়ুন: 👉এইখানে ক্লিক করুন

No comments