উম্মুল মু'মিনীন হযরত খাদিজা বিনতে খুয়াইলিদ রদিয়াল্লাহু আনহা এর জীবনী ১৪তম পর্ব | Mother of the believers Khadija (RA)
হযরত খাদিজা বিনতে খুয়াইলিদ রদিয়াল্লাহু আনহা
ওহি এল মাত্র পাঁচটি আয়াত। কিন্তু এ পঞ্চ আয়াতে কোনো নির্দেশনা ছিল না, কোনো আদেশ-নিষেধ ছিল না। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম অপেক্ষা করতে লাগলেন, কিন্তু নতুন কোনো ওহি সত্বর এল না। খাদিজা এ সময়ও মুহাম্মদকে সান্ত্বনা দিয়ে বলীয়ান রাখলেন, যাতে তিনি ওহির বিরতিতে ভেঙে না পড়েন।
কিন্তু মুহাম্মদের জন্য এই ওহি বিরতি ছিল যাতনার। নবি হিসেবে তাঁকে সত্যায়নের পর তাঁর করণীয় কী এমন প্রত্যাদেশ তাঁর জন্য প্রয়োজন ছিল। একদিন গেল, দুই দিন গেল, তবু নতুন কোনো প্রত্যাদেশ এল না। মুহাম্মদের দুশ্চিন্তা বেড়ে গেল। স্ত্রী খাদিজার পরামর্শে তিনি রমজানের এতেকাফ পূর্ণ করতে আবার হেরা গুহার সাধনাকেন্দ্রে চলে এলেন।
এখানে এসে কয়েকদিন একাগ্রতায় নিমগ্ন হয়ে রইলেন। এখানে অবস্থান করলে হয়তো নতুন করে আবার ঐশী প্রত্যাদেশ অবতীর্ণ হবে-এ আশায়। কিন্তু ঐশ্বরিক কোনো নির্দেশনা না আসায় তাঁর অন্তর বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ল। তিনি পেরেশান হয়ে গেলেন। মাঝে ইচ্ছে হতে লাগল, পর্বতচূড়া থেকে নিচে লাফিয়ে পড়বেন। কিন্তু যখনই তিনি পর্বতশীর্ষে আরোহণ করেন তখনই শূন্য ইথারে জিবরাইলের কায়া দেখতে পান। জিবরাইল তাঁকে সম্বোধন করে বলতেন, 'হে মুহাম্মদ! আপনি আল্লাহর রাসুল।'
মুহাম্মদ শান্ত হয়ে ফিরে আসতেন এবং মনে মনে ভাবতেন, হয়তো এবার নতুন প্রত্যাদেশ আসবে। কিন্তু তেমন কিছু ঘটল না। দিন যেতে লাগল, তিনি আবার অস্থির হয়ে পড়লেন। আবার নিজেকে পর্বতশীর্ষে নিয়ে গেলেন নিচে লাফিয়ে পড়ার জন্য। আবার জিবরাইল এলেন এবং তাঁকে সম্বোধন করে আগের মতোই বললেন, 'হে মুহাম্মদ! আপনি আল্লাহর রাসুল।' রাসুল মুহাম্মদের জীবনের এমন সংকট মুহূর্তে স্ত্রী খাদিজা তাঁকে সঙ্গ দিয়ে, সান্ত্বনা দিয়ে প্রবোধ দেওয়ার চেষ্টা করতেন। অবশেষে রমজান মাস পূর্ণ হওয়ার পর যখন তিনি এতেকাফ শেষে মক্কা ফিরে আসছিলেন, এমন সময় আকাশ শূন্যে জিবরাইলকে দেখতে পেলেন বিশাল ঐশী আসনে উপবিষ্ট। জিবরাইল দ্বিতীয়বার তাঁকে আল্লাহর প্রত্যাদেশ শোনালেন। কোনো কোনো সিরাত রচয়িতা বলেছেন, এ প্রত্যাদেশ ছিল সুরা দুহা'র প্রথম পাঁচ আয়াত, আর কোনো কোনো সিরাত রচয়িতা বলেছেন, এটি ছিল সুরা মুদ্দাসসির-এর প্রথম পাঁচ আয়াত।
এর পর থেকে ধারাবাহিক বিরতিতে আল-কুরআনের বিভিন্ন আয়াত ও সুরা অবতীর্ণ হতে থাকে।
ওহি অবতীর্ণের প্রথম সময়কালটা মুহাম্মদের জন্য ছিল খানিকটা অস্থিরতা ও পেরেশানির। এমন অস্থিরতা সকল নবির বেলায়ই ঘটেছিল। নবুওয়াতের যে গুরুদায়িত্ব, সেটা আঞ্জাম দেওয়ার ব্যাপারে সকল নবি-রাসুল ওহি প্রাক্কালিন সময়ে ভীত থাকতেন। মুহাম্মদও এর ব্যতিক্রম ছিলেন না। কিন্তু তাঁর স্ত্রী খাদিজা সর্ববিধ তাঁকে অভয় দেওয়ার প্রেরণায় নিয়োজিত ছিলেন। এত দিন যেমন তিনি নবুওয়াত-পূর্ববর্তী মুহাম্মদকে নবুওয়াতের জন্য তৈরি করেছিলেন, নবুওয়াতপ্রাপ্তির পর তাঁর দায়িত্ব শত গুণ বেড়ে গেল। মুহাম্মদের নবুওয়াতকে পরিপুষ্ট করার জন্য বটবৃক্ষের মতো তাঁকে আশ্রয় দিলেন নিজের ছায়ায়।
“ইসলামপূর্ব যুগে আমি একজন ব্যবসায়ী হিসেবে প্রায়ই মক্কায় যেতাম। ইসলামের আবির্ভাবের পর একবার আমার মক্কা যাওয়ার সুযোগ ঘটে। সেখানে
আমি কুরাইশনেতা আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি। আরও অনেকের সঙ্গে আমরা যখন মিনায় পৌঁছাই, তখন সেখানে এক ব্যক্তিকে আসতে দেখলাম। সেখানে এসে তিনি ডুবন্তপ্রায় সূর্যের দিকে তাকালেন এবং নিজেকে প্রার্থনার জন্য প্রস্তুত করলেন। এ সময় তাঁর পেছনে একজন নারীকে তাঁর অনুসরণ করতে দেখা গেল। তারপর একজন কিশোর এল, সে-ও বাকি দুজনকে অনুসরণ করল। তাঁরা তিনজন সমবেত হয়ে নামাজ আদায় করলেন। আমি কিছুটা অবাক হয়ে আব্বাসকে জিজ্ঞেস করলাম, 'হে আব্বাস! এই ব্যক্তি কে?'
আব্বাস উত্তর দিলেন, তিনি আমার ভাই আবদুল্লাহর ছেলে মুহাম্মদ আবদুল মুত্তালিবের নাতি। তিনি নিজেকে নবি দাবি করেন। যদিও এ নারী এবং এই বালক ছাড়া আর কেউ তাঁর ওপর ঈমান আনেনি। তবে তিনি দাবি করেন, খুব শিগগির তাঁকে পারস্য, মিসর ও রোম সাম্রাজ্যের শাসনভার প্রদান করা হবে।
আমি জিজ্ঞেস করলাম, তাঁর সঙ্গে এ নারীটি কে?' আব্বাস কালেন, 'নারীটি তাঁর স্ত্রী, খাদিজা বিনতে খুয়াইলিদ।'
আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, 'বালকটির পরিচয় কী?
আব্বাস বললেন, 'বালকটি তাঁর চাচাতো ভাই, আলি ইবনে আৰু তালিব।
আমি ফের জিজ্ঞেস করলাম, তাঁরা সমবেত হয়ে কী করছেন?" আব্বাস বললেন, 'তাঁরা তাঁদের কথা অনুযায়ী নামাজ আদায় করছে।' বর্ণনাকারী পরবর্তী জীবনে আফসোসের সঙ্গে বলতেন, হায় আফসোস !
আমি যদি সেদিন মুসলমান হয়ে চতুর্থ ব্যক্তি হিসেবে তাঁদের সঙ্গে নামাজ পড়তে পারতাম।' এ বর্ণনাকারীর নাম আফিফ ইবনে উমর আল-কিন্দি। তিনি নবুওয়াতপ্রাপ্তির একেবারে প্রথম দিকে মক্কায় আগমন করে ইসলামের প্রাথমিক দৃশ্যাবলি অবলোকন করেছিলেন বটে, কিন্তু তখন তাঁর ঈমান আনার সৌভাগ্য হয়নি। পরবর্তী সময়ে মুসলমান হয়েছিলেন। ইসলাম গ্রহণে বিলম্ব হওয়ার জন্য সারা জীবন তিনি আফসোস করেন। আফিফ আল-কিন্দি এবং আব্বাস ইবনে মুত্তালিবের কথোপকথন থেকে নবুওয়াতের প্রাথমিক দৃশ্য যতটা স্বাভাবিক বলে মনে হচ্ছে, বাস্তব অবস্থা ততটা স্বাভাবিক ছিল না। গোপনে ইসলামের দাওয়াতি অভিযান চললেও মুহাম্মদ যে নতুন এক ধর্মের কথা প্রচার করছেন, এ কথা মক্কার মানুষের মুখে মুখে রটে যেতে দেরি হলো না। তিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে নবুওয়াতপ্রাপ্ত হয়েছেন, তিনি এক ঐশী গ্রন্থের কথা মানুষকে শোনান, তাঁর কাছে আল্লাহপ্রেরিত ফেরেশতা আসেন; এসব বিষয় নিয়ে মক্কার লোকজন কানাঘুষা করতে লাগল। এমনকি ভরা মজলিসে তাঁর নবুওয়াতপ্রাপ্তি নিয়ে হাসাহাসিও হতে লাগল। কেউ কেউ তো বলেই বসল, তার কাছে ফেরেশতা আসে না ছাই, গিয়ে দেখো কোনো শয়তান বা জিন ভর করেছে তার ওপর। আরবে তখন প্রচুর পরিমাণে জিন ও শয়তানের প্রভাব ছিল।
বিশেষত,অনেক গুনিন ও জ্যোতিষী ছিল, যারা জিন ও শয়তানের মাধ্যমে মানুষের ভবিষ্যৎ বলত এবং নানা রকম জাদু-টোনা করত। তা ছাড়া নবুওয়াত-পূর্ববর্তী আরবের ইতিহাসে জিনবিষয়ক অনেক রূপকথা, কাহিনিকাব্য এবং লোককথার প্রচলন ছিল। এসব কারণে মক্কার লোকজন মুহাম্মদের নবুওয়াতকে জিন বা শয়তানের আছর বলে উপহাস করার একটা সুযোগ পেয়েছিল।
এমন টিপ্পনীর জন্য মুহাম্মদ অবশ্য নিজেকে আগে থেকেই প্রস্তুত করেছিলেন, যখন ওয়ারাকা তাঁকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন। কিন্তু খাদিজার জন্য এমন উপহাস সহ্য করা ছিল মনোবেদনার। রাসুল ও নবুওয়াতের ব্যাপারে মক্কার লোকজনের বাঁকা কথাবার্তা তাঁকে ব্যথিত করত।
একদিন খাদিজা মুহাম্মদকে বললেন, 'আমার চাচাতো ভাই, আবার আপনার কাছে যখন আল্লাহপ্রেরিত ফেরেশতা জিবরাইল আসবেন, তখন আপনি আমাকে জানাবেন।
মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম সম্মতি জানালেন। এরপর যখন জিবরাইল এলেন, তখন তিনি খাদিজাকে ডেকে সামনের একটি স্থান দেখিয়ে বললেন, 'এই যে আমার সামনেই জিবরাইল বসে আছেন।
খাদিজা রাসুলের দেখানো স্থানটি একবার দেখে নিয়ে তাঁকে বললেন, 'আপনি আমার ডান ঊরুতে বসে পড়ুন।' রাসুল খাদিজার ডান উরুতে বসলেন।
খাদিজা জিজ্ঞেস করলেন, এখন কি আপনি তাঁকে দেখতে পাচ্ছেন? রাসুল জবাব দিলেন, "হ্যাঁ, আগের মতোই দেখতে পাচ্ছি। এবার খাদিজা রাসুলকে তাঁর বাঁ উরুতে বসালেন। বললেন, 'এখনো কি দেখতে পাচ্ছেন?' রাসুল বললেন, 'হ্যাঁ, এখনো দেখতে পাচ্ছি।'
এরপর খাদিজা অভিনব এক কাজ করলেন। তিনি তার বুক থেকে সম্ভ্রমের উড়না ফেলে নিলেন এবং মুহাম্মদকে নিজের বুকের সঙ্গে জড়িয়ে ধরে জিজ্ঞেস করলেন, 'এখন?'
রাসুল হয়রান হয়ে জবাব দিলেন, 'না, এখন তাঁকে দেখা যাচ্ছে না।' খাদিজা এবার রাসুলকে নিজের কোল থেকে নামিয়ে আশ্বস্ত করে বললেন, 'আপনার জন্য সুসংবাদ। আল্লাহর শপথ করে বলছি, তিনি অবশ্যই আল্লাহর প্রেরিত সম্মানিত ফেরেশতা, কোনো শয়তান বা জিন নয়। যদি শয়তান হতো, তবে সে আমাদের এ অবস্থায় দেখে লজ্জা পেত না এবং চলেও যেত না। আপনি দুশ্চিন্তা করবেন না, তিনি অবশ্যই আল্লাহপ্রেরিত মহান দূত।
আল্লাহর রাসুল এবং খাদিজা উভয়ের জন্য এ নিরীক্ষণ ছিল প্রশান্তিদায়ক। কিন্তু এখানে প্রণিধানযোগ্য একজন যোগ্য স্ত্রী হিসেবে খাদিজার বুদ্ধিমত্তার। তিনি স্বামীকে প্রবোধ দেওয়ার জন্য নিজে উৎসাহী হয়ে ফেরেশতা ও শয়তানের তফাতটা পরখ করে দেখালেন। বিশ্বজয়ের পথে সকল বাধা এভাবেই তিনি 1 নিজ হাতে সরিয়ে মুহাম্মদের জন্য অনাগত পৃথিবী করে গিয়েছিলেন সুশোভিত।
আরেক দিন। ওহি অবতীর্ণ শুরু হওয়ার পরও মুহাম্মদ মাঝেমধ্যে লোকালয় থেকে দূরবর্তী হেরাকেন্দ্রে সাধনায় মগ্ন হতেন। নবুওয়াত-পূর্ববর্তী সময়ে খাদিজা হেরা গুহার সাধনাকেন্দ্রে সব সময় স্বামীর দেখভাল করতে আসতে পারেননি, কিন্তু নবুওয়াত পরবর্তী সময়ে খাদিজা কখনো মুহাম্মদকে একা একা বেশিক্ষণ সেখানে থাকতে দিতেন না। মক্কার দুষ্ট লোকদের কূটকৌশলের ভয় তো আছেই, আছে দুর্বৃত্তচারী ইহুদি আর খ্রিষ্টানদেরও ভয়। মুহাম্মদের নবুওয়াতের সংবাদ শুনে বিদ্বেষবশত তারা যেকোনো কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলতে পারে। আর সর্বোপরি ফেরেশতার আগমন তো রয়েছেই। মুহাম্মদ এখনো জিবরাইলের আগমন স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে পারেননি। প্রথম দর্শনের ভয় এখনো তাঁকে জেরবার করে রেখেছে।
এ সময়কালে একদিন খাদিজা মুহাম্মদের জন্য খাবার নিয়ে মক্কা থেকে হেরাকেন্দ্রের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে হঠাৎ এক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা হয়ে গেল। লোকটিকে খাদিজা এর আগে দেখেননি কখনো। দেখা হতেই লোকটি মুহাম্মদ সম্পর্কে নানা প্রশ্ন করতে শুরু করুণ। খাদিজা জয় পেয়ে গেলেন। লোকটি আমার স্বামীর ব্যাপারে এত কিছু জিজ্ঞেস করছে কেন? সে কি মুহাম্মদের কোনো ক্ষতি করতে চায়? কে এই লোক?
খাদিজা লোকটির দু-চারটে প্রশ্নের জবাব দিয়ে জলদি পায়ে হেরাকেন্দ্রে রাসুলের কাছে চলে এলেন। এসেই রাসুলকে জানালেন সদ্য পথে দেখা হওয়া লোকটির ব্যাপারে। তাঁর চোখে-মুখে উৎকণ্ঠা, গলার স্বরে ভীতসন্ত্রস্ততা। কিন্তু মুহাম্মদের চেহারায় দুশ্চিন্তার কোনো আভাস নেই, বরং তিনি খাদিজার উৎকণ্ঠা দেখে মিটি মিটি হাসছেন।
খাদিজা ধন্দে পড়ে গেলেন। অবশেষে রাসুল জানালেন, মূলত লোকটি ছিলেন জিবরাইল। খাদিজার সঙ্গে কথা বলে একটু পরখ করে দেখার জন্য তিনি এমন মানুষের বেশে তাঁর সামনে এসেছিলেন।
মাঝেমধ্যে এরকম হতো, মুহাম্মদ হেরা গুহায় ধ্যানমগ্ন থাকতেন, এমন সময় জিবরাইল আসতেন। রাসুলকে ঐশী বাণী শোনাতেন এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করে দিতেন। এর মধ্যে খাদিজার আসার সময় হয়ে যেত।
একদিন এমনই হলো। দূর থেকে খাদিজাকে আসতে দেখে জিবরাইল রাসুলকে জানালেন, 'ওই যে খাদিজা আসছেন। তাঁর হাতে আপনার জন্য খাবার ও পানীয়। যখন তিনি আপনার কাছে আসবেন, তখন তাঁকে আল্লাহর পক্ষ থেকে সালাম জানাবেন এবং আমার পক্ষ থেকেও সালাম জানাবেন। আর জান্নাতে তাঁর জন্য একটি মণি-মুক্তোর প্রাসাদের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। সেখানে তিনি পার্থিব সকল দুঃখ-কষ্ট ব্যতীত বসবাস করতে পারবেন।'
জিবরাইল চলে গেলেন। একটু পর খাদিজা এলেন হেরাকেন্দ্রে। তিনি আসতেই রাসুল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম তাঁকে জিবরাইল বর্ণিত সুসংবাদ শোনালেন। খাদিজা আনন্দিত হয়ে বললেন, আল্লাহ হলেন পরম শান্তি এবং তিনিই সকল শান্তির উৎস। হে আল্লাহর রাসুল! আল্লাহর পক্ষ থেকে শান্তি তো আপনার ওপর বর্ষিত হোক। আর যারা এমন অভিবাদন শুনবে তাদের সকলের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক, তবে বিতাড়িত শয়তান নয়। এবং শান্তি বর্ষিত হোক ফেরেশতা জিবরাইলের ওপরও।
১৫তম পর্ব পড়ুন : 👉 এইখানে ক্লিক করুন

No comments